Style Options
শ্রী শ্রী দূর্গাপূজা, পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী ও প্রবারনা পূর্নিমা উপলক্ষ্যে ছুটির নোটিশ  |  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিসপ্তাহে শুক্রবার ও শনিবার কলেজ বন্ধের নোটিশ।  |  উচ্চ মাধ্যমিক ১ম বর্ষ (মানবিক /ব্যবসায় শিক্ষা/বিজ্ঞান) শাখার বার্ষিক পরীক্ষার রুটিন-২০২২  |  উচ্চ মাধ্যমিক ২য় বর্ষ (মানবিক /ব্যবসায় শিক্ষা/বিজ্ঞান) শাখার প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষার রুটিন-২০২২  |  উচ্চ মাধ্যমিক(বি ,এম) প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা-2022 এর সময়সূচী  |  ★ ৪ বছর মেয়াদি অনার্স কোর্সে রিলিজ স্লিপে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ★   |  শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আগামী ১৮-০৮-২০২২ খ্রি: তারিখ রোজ- বৃহস্পতিবার কলেজ বন্ধ থাকবে।  |  ১৫ আগষ্ট ২০২২ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর আংশিক পাঠ প্রতিযোগিতার ফলাফল-২০২২।  |  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকীতে ‘জাতীয় শোক দিবস-২০২২’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে রুহিয়া ডিগ্রি কলেজ কর্তৃক গৃহীত কর্মসূচী:  |  কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তীর সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশনের জন্য আগ্রহী ছাত্র/ছাত্রীদের নামের তালিকা জমাদান প্রসঙ্গে।  |  পবিত্র আশুরা (মহররম) উপলক্ষে ছুটির নোটিশ  |  রোভার স্কাউট দল গঠন প্রসঙ্গে  |  

মুক্তিযুদ্ধ কর্নার ২০২২


Picture

৫২ এর ভাষা আন্দোলন

By: RUHEA DEGREE COLLEGE Posted: August 21, 2022

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন :- পাকিস্তান রাষ্ট্রটির জন্মের পর থেকেই উর্দূকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ষড়যন্ত্র চলতে থাকে । 
১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন উর্দূকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে এর প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলন গড়ে উঠে । বঙ্গবন্ধু কারাগারে বন্দী অবস্থায় আন্দোলনের নির্দেশনা দেন । বঙ্গবন্ধু ১৪ ফেব্রæয়ারি থেকে টানা ১৩ দিন অনশন করেন ।
২১ শে ফেব্রæয়ারি ১৯৫২ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবি আদায়ের দিবস পালন করার জন্য ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হয় এবং ঐদিন ১৪৪ ধারা জারি ছিল । ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবি আদায়ের মিছিল বের করলে পুলিশ ছাত্রদের উপর গুলি চালায় । পাকিস্তানী শাসকের বর্বরোচিত হামলায় সালাম, বরকত, জব্বার, রফিক, শফিক, অহিউল্লাহসহ আরো অনেক নাম না জানা ছাত্র শহীদ হন । দিবসটি এখন শহীদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালিত হয় ।
 

Picture

বিভিন্ন আন্দোলন

By: RUHEA DEGREE COLLEGE Posted: August 21, 2022

বৃটিশ শাসনের অবসান :- ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে বৃটিশ শাসনের অবসান হলেও সম্পূর্ণ  অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে দ্বিজাতি তত্তে¡র ভিত্তিতে ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের জন্ম হয় । পাকিস্তানের দুটি অংশ পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান । পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসকগনের আবাস ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে । পূর্ব পাকিস্তানের জনগন পশ্চিম পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসন দ্বারা শোষিত, বঞ্চিত ও উপেক্ষিত হতে থাকে । অর্থনীতি, রাজনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য , চাকুরি সবই পশ্চিম পাকিস্তান কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে । একই রাষ্ট্রের দুটি অংশ হলেও পূর্ব পাকিস্তান কার্যত: পশ্চিম পাকিস্তানের উপনিবেশে পরিণত হতে থাকে ।

Picture

বিভিন্ন আন্দোলন

By: RUHEA DEGREE COLLEGE Posted: August 21, 2022

ক্ষুদিরাম বসু :- বাঙালি তরুন যুবক ক্ষুদিরাম বৃটিশ বিরোধী একজন বিপ্লবী ছিলেন । তিনি বৃটিশ বিচারক কিংসফোর্ড আছে ভেবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গাড়ীতে বোমা নিক্ষেপ করেন । কিন্তু ম্যাজিষ্ট্রেট কিংসফোর্ড অন্য গাড়ীতে ছিলেন । বোমার আঘাতে দুজন বৃটিশ মহিলা মিসেস কেনেডি ও তার কন্যার মৃত্যু হয় । এ ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী ক্ষুদিরামের ফাঁসীতে মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয় ।

Picture

বিভিন্ন আন্দোলন

By: RUHEA DEGREE COLLEGE Posted: August 21, 2022

প্রীতিলতা ওয়াদ্দার :-  প্রীতিলতা বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম আত্মত্যাগকারী নারী । তাঁর ডাক নাম রানী এবং ছদ্দনাম ফুলতারা । তিনি ১৫ জনের একটি স্বশস্ত্র বিপ্লবী দল পরিচালনা করতেন । তিনি চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে একটি ইউরোপীয় ক্লাবে আক্রমনকালে পুলিশের হাতে তার অনুসারিরা আটক হয় এবং গ্রেফতার এড়াতে তিনি পটাশিয়াম সায়ানাইড গলধ:করণ করে আত্মহত্যা করেন ।প্রীতিলতা ওয়াদ্দার :-  প্রীতিলতা বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম আত্মত্যাগকারী নারী । তাঁর ডাক নাম রানী এবং ছদ্দনাম ফুলতারা । তিনি ১৫ জনের একটি স্বশস্ত্র বিপ্লবী দল পরিচালনা করতেন । তিনি চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে একটি ইউরোপীয় ক্লাবে আক্রমনকালে পুলিশের হাতে তার অনুসারিরা আটক হয় এবং গ্রেফতার এড়াতে তিনি পটাশিয়াম সায়ানাইড গলধ:করণ করে আত্মহত্যা করেন ।

Picture

বিভিন্ন আন্দোলন

By: RUHEA DEGREE COLLEGE Posted: August 21, 2022


সিপাহী বিদ্রোহ :- ১৮৫৭ সালে ইংরেজ বাহিনীর বাঙ্গালী হাবিলদার রজব আলীর নেতৃত্বে একটি পদাতিক বাহিনী ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বশস্ত্র বিদ্রোহ করেন । ঐতিহাসিকগণ এই বিদ্রোহকে প্রথম জাতীয় অভ্যূত্থানের মর্যাদা দান করেছেন ।
উপরোক্ত বিদ্রোহ ছাড়াও আরো কিছু উল্লেখযোগ্য বিদ্রোহ সংঘটিত হয় এবং দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেন :
সূর্যসেন :- স্কুল শিক্ষক সূর্যসেন চট্টগ্রাম এলাকায় ইংরেজদের জন্য যেন এক মূর্তিমান আতংক হয়ে উঠেছিল । চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন, বিপ্লবী কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য রেলের টাকা লুণ্ঠন, জালালাবাদে ইংরেজ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ। তিনি ইংরেজদের হাতে ধরা পড়েন এবং ফাঁসিতে তাঁর মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয় ।

 

Picture

বিভিন্ন আন্দোলন

By: RUHEA DEGREE COLLEGE Posted: August 21, 2022

বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন:
১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর বাংলায় বৃটিশ শাসনের সূচনা হয়। প্রায় দুইশত বছর বৃটিশ শাসনের অত্যাচার, নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলায় বহু আন্দোলন গড়ে উঠে । এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু আন্দোলন হল- ফকির সন্ন্যাস বিদ্রোহ, কৃষক বিদ্রোহ, ওয়াহাবী বিদ্রোহ, ফরাজী বিদ্রোহ, সিপাহী বিদ্রোহ, নীল ও কৃষক বিদ্রোহ ইত্যাদি ।
ফকির সন্ন্যাস বিদ্রোহ:- এই বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন মজনু শাহ। তার শিষ্যদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মুশা শাহ্, চেরন আলী শাহ্ এবং পরান শাহ্ । এই বিদ্রোহ ১৭৬০ সালে শুরু হয়ে প্রায় ৪০ বছর স্থায়ী হয় এবং বিদ্রোহের উল্লেখযোগ্য আন্দোলন হল ঢাকার কোম্পানী আক্রমন এবং দখল, রংপুরে লেফটেন্যান্ট কীনের সেনাদলকে পরাস্ত করে কীনকে হত্যা । রংপুরের শ্যামগঞ্জে ইংরেজ সেনাদলকে পরাস্ত করে ক্যাপ্টেন টমাসকে হত্যা ইত্যাদি ।
কৃষক বিদ্রোহ :-  ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে ইংরেজরা দেশীয় জমিদার শ্রেণি সৃষ্টি করে । জমিদারদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে দরবেশ করম শাহ্রে নেতৃত্বে পাবর্ত্য গারো  এবং হাজংবা ময়মনসিংহ ও শেরপুর অঞ্চলে বিদ্রোহ করে । করম শাহ্রে মৃত্যুর পর তার পুত্র টীপুর নেতৃত্বে এই আন্দোলন চলমান থাকে।
ওয়াহাবী বিদ্রোহ :- মীর নিসার আলী খান তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ১৮৩১ সালে । বিদ্রোহীরা ইংরেজদের নীলকুঠি পুড়িয়ে দেয় । জমিদারদের কাছারি আক্রমন করেন, থানা আক্রমন করে দারোগাকে হত্যা করেন । ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর কোলকাতার অদূরে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে বাঁশের কেল্লা তৈরি করে ইংরেজদের বাহিনীর সাথে তুমুল যুদ্ধের পর কোম্পানী বাঁশের কেল্লা দমন করে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তিতুমীর নিহত হন ।
 

Picture

পলাশীর যুদ্ধ

By: RUHEA DEGREE COLLEGE Posted: August 21, 2022

১। পলাশীর যুদ্ধ -
বাংলা- বিহার- উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বৃটিশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশী নামক স্থানে (মুর্শিদাবাদ পশ্চিম বঙ্গ, ইন্ডিয়া) পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় ।

    এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্য সংখ্যা ছিল ৫০,০০০ । কামান ছিল মোট ৫৩ টি । ৫০,০০০ সৈন্যের মধ্যে প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খাঁ এর অধীনে ছিল ৪৫,০০০ সৈন্য এবং অবশিষ্ট ৫,০০০ সৈন্য ছিল মীরমদন, মোহনলাল ও ফরাসী সেনাপতি সিনফ্রে এর নেতৃত্বে ।
পলাশীর যুদ্ধ শুরু হলে প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খাঁ ৪৫,০০০ সৈন্য নিয়ে নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকে এবং গোপনে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীকে সহযোগীতা করতে থাকে । অবশিষ্ট ৫,০০০ সৈন্য নিয়ে মীরমদন, মোহনলাল ও ফরাসী সেনাপতি সিনফ্রে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকেন । ইংরেজ বাহিনীর গোলার আঘাতে মীরমদনের মৃত্যু হলে মোহনলাল ও সিনফ্রে মরনপণ যুদ্ধ করে বিজয় যখন প্রায় সুনিশ্চিত করেন , এমন সময় মীরজাফর নবাব সিরাজকে খবর দেন যে, যুদ্ধে তো আমরা প্রায়ই জিতেই গেছি, এখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, রাতে কোন ঝুঁকি না নিয়ে আগামীকাল সকালে আমরা ইংরেজদের  পরাস্ত করবো । নবাব সিরাজ মীরজাফরের চালাকি বুঝতে না পেরে তাঁর কথায় সায় দিয়ে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করেন । আর এরই সুযোগে মীরজাফরের পরামর্শে রাতের অন্ধকারে ইংরেজ বাহিনী নবাব সিরাজের ঘুমন্ত বাহিনীর উপর ঝাপিয়ে পড়ে । এর মধ্য দিয়ে নবাব সিরাজের পরাজয় সুনিশ্চিত হয় । আর বাংলা দু’শত বছরের জন্য ইংরেজদের কাছে পরাধীন হয় ।
৩। বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত করার পিছনে যারা ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতায় মূখ্য ভূমিকা পালন করে  তাদের নাম ও করুন মৃত্যু:- 
নবাব সিরাজউদ্দৌলার আপন খালা মেহেরুন নেসা । যে ঘসেটি বেগম নামে অধিক পরিচিত । ঘসেটি বেগম মীরজাফরের সাথে হাত মেলালেও পলাশীর যুদ্ধের পর মীরজাফরের পুত্র মিরন, ঘসেটি বেগমকে নদীতে নৌকা ডুবিয়ে হত্যা করে । 
বিশ্বাস ঘাতক প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খাঁ ৭৪ বছর বয়সে কুষ্ঠ রোগে তার করুন মৃত্যু হয় ।
জগৎশেঠ নবাব সিরাজের বিরুদ্ধে অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী । মীরজাফরের ঘনিষ্ঠ সহচর জগৎশেঠ কিন্তু তাকে মীরজাফরের জামাতা মীর কাসেম প্রাসাদ থেকে গঙ্গায় ফেলে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে ।
রায় দূর্লভ :- রায়দূর্লভ ষড়যন্ত্রকারীদের অন্যতম কিন্তু যুদ্ধের পর তাকে কারাগারে বন্দী করা হয় । কারাগারেই তার করুন মৃত্যু হয় ।
উমিচাঁদ:- বিশ্বাস ঘাতকদের মধ্যে একজন । যুদ্ধের পর সে পাগল হয়ে যায় এবং রাস্তায় মরে পড়ে থাকে ।
মীর কাসেম:-  মীরজাফরের জামাতা দিল্লীর রাস্তায় মরে পড়ে থাকে ।
ইয়ার লতিফ খাঁন :- ইয়ার লতিফ খাঁন একজন অন্যতম বিশ্বাস ঘাতক । যুদ্ধের পর সে নিরুদ্দেশ হয় । ধারনা করা হয় মীরজাফরের পুত্র মিরন তাকে হত্যা করেছে ।
মিরন :- মীরজাফরের পুত্র মিরন অসংখ্য কুকর্মের নায়ক । মেজর ওয়ালস তাকে গুলি করে হত্যা করে । তবে কথিত আছে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয় ।
মোহাম্মদী বেগ:-  নবাব সিরাজের বুকে ছুরি চালিয়ে নবাবকে হত্যা করে । পরবর্তীতে মাথা গড়বড় অবস্থায় কুয়ায় ঝাঁপ দিয়ে সে আত্মহত্যা করে ।
দানেশ শাহ :-  এই ফকির পুরস্কারের লোভে নবাব সিরাজকে ধরিয়ে দেয় । সাপের দংশনে এই ফকিরের মৃত্যু হয় ।
রবার্ট ক্লাইভ :- ইংরেজ বাহিনীর প্রধান । যুদ্ধের পর নিজ দেশে ফিরে গিয়ে অজ্ঞাত কারণে বাথরুমের ভেতর নিজের গলায় নিজে ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করে ।

Picture

বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা

By: RUHEA DEGREE COLLEGE Posted: August 21, 2022

বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা  

জন্ম -১৭৩২ খ্রিষ্টাব্দ                মৃত্যু -১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দ
পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের পর মির্জাফরের নির্দেশে তার পুত্র মিরনের তত্তfবধানে মোহাম্মদী বেগের ছুরিকাঘাতে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়।